পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ঐন্দ্রিলার মৃত্যু হয়েছে দুপুর ১২:৫৯ টার সময়। মৃত্যুর কিছুক্ষন পর আমিও সবার মতো সোশালমিডিয়া থেকে জানতে পারি এই দুঃখজনক ঘটনাটা। খবরটা পাওয়ার এত ঘন্টা পরেও আমি লেখার মতো কোনো ভাষা খুঁজে পেলামনা। খুব করে মন থেকে চেয়েছিলাম ঐন্দ্রিলা ফিরে আসুক। সব্যসাচী ও ঐন্দ্রিলার ভালোবাসার পূর্ণতা দেখার জন্য সবাই তাকিয়ে। অনেকেই দেখলাম ঐন্দ্রিলার জন্য প্রার্থনা করে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলেছে। সেখানে আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐন্দ্রিলার জন্য প্রার্থনা করে একটাও পোস্ট দিলাম না। শুধু মনে মনে ভগবানের কাছে চেয়েছিলাম ও ফিরে আসুক। এতক্ষন পুরো ব্যাপারটা ঠিক ছিল, এবার আসি মূল কথায়  - একটা জিনিস খেয়াল করলাম, ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর সাথে সাথে হাজার হাজার শব্দে আর্টিকেল পাবলিশ হয়ে যায় খবরের পোর্টালগুলিতে। যে ভিডিও এডিট করতে ঘন্টাখানেক সময় লাগে, সেই এডিট করা ভিডিও পোস্ট হয়ে যায় মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা জিনিস ভেবে দেখলাম, এরা বোধহয় কমেন্ট রেডি করে রেখেছিল। শুধু অপেক্ষা করছিল মৃত্যুর। এরাই নাকি ভালোবাসার জয় দেখতে বলে প্রার্থনায় প্রার্থনায় সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলেছিল। সত্যি, আপনাদেরকে কিছু বলার ভাষা নেই। ...

সন্তানকে অভাব সেখান

আপনার প্রচুর সামর্থ থাকলেও আপনার সন্তানকে অভাব সেখান। আপনি বাবা , কোনো মেশিন নন। আপনি মা , কোনো ঘষা প্রদীপের দৈত্য নন। যে যা চাইবে তাই নিয়ে হাজির করবেন বাচ্চার সামনে। যা চাইবে তাই যদি হাজির করেন বাচ্চার সামনে , তাহলে আপনার বাচ্চা মানুষ হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম। সন্তানকে জীবনের মানে বোঝান। জীবনের মানে বোঝানো মানে কম ভালোবাসা নয়। বরং তাকে বেশি ভালোবাসা। কারণ আপনি যখন থাকবেননা , তাকে কঠিন পথ একাই চলতে হবে। আপনার সন্তানকে সেখান , চাইলেই সবকিছু পাওয়া যায় না। সবকিছু পাওয়ার দরকারও নেই। কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত জিনিসের মূল্য বোঝান। তাকে বোঝান দামি দামি জিনিস পত্র , গাড়ি , ছাড়াও জীবন চলে। অভাবকেও ভালোবাসতে হয় , দিলে স্বভাবটাও ভালো হয়। উদাহরণ স্বরূপ তাকে অনুপমের গানটা শোনান - ' সব পেলে নষ্ট জীবন '... সময় পেলে আপনার সন্তানকে ফুটপাতে পড়ে থাকা মানুষদের জীবনটা দেখান। তাকে বোঝান এরাও মানুষ। তাকে বোঝান যে সে ওই মানুষ গুলোর থেকে ভালো আছে। তাই সন্তান যা বলবে তাই নিয়...

ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ

ভালোবাসা কতরকমের হয় তা কিছু দিন ধরে ঘটে যাওয়া দুটো ঘটনা থেকে বোঝা যায়। একদিকে ঐন্দ্রিলা হসপিটালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঙ্গা লড়ছেন। আর তাকে ফেরানোর আসায় প্রতিটা মুহূর্তে ঐন্দ্রিলার কেবিনের সামনে চাতক পাখির মতো বসে প্রেমিক সব্যসাচী। আর অন্যদিকে শ্রদ্ধা ভালোবেসে ছিলো আফতাব আমিনকে। শ্রদ্ধার বাড়ি থেকে সম্পর্কটা না মানার জন্য, শ্রদ্ধা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। মুম্বাইতে গিয়ে শ্রদ্ধা ও আফতাব দুবছর ধরে লিভ ইন সম্পর্কে থাকে। এই সম্পর্কে থাকার সময় শ্রদ্ধা আফতাবকে বলেছিলো বিয়ে করার জন্য। শ্রদ্ধা বিয়ের কথা বলতে, শ্রদ্ধাকে আফতাব মেরে তার শরীরকে ৩৫ টুকরো করে। ওই টুকরো গুলো ফ্রীজে রেখে ১৮ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন স্থানে পুঁতেছে। সত্যি দুটো ঘটনা দুরকম। কেউ নাটকীয়তা করে জীবন কেড়ে নেয়। কেউ জীবন ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বক্ষণ প্রার্থনায় রয়। কেউ ভালোবাসা টুকরো করে। কেউ ভালোবাসার জন্য যুদ্ধ করে। ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ। যে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বাঁচাতে দিন রাত এক করেছেন ভগবানের কাছে এটুকু চাওয়া তার প্রেমিকাকে তার কাছে ফিরিয়ে দাও। তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা দেখার জন্য সবাই তাকিয়ে। আর যে প্রেমিক ...