ঐন্দ্রিলার মৃত্যু হয়েছে দুপুর ১২:৫৯ টার সময়। মৃত্যুর কিছুক্ষন পর আমিও সবার মতো সোশালমিডিয়া থেকে জানতে পারি এই দুঃখজনক ঘটনাটা। খবরটা পাওয়ার এত ঘন্টা পরেও আমি লেখার মতো কোনো ভাষা খুঁজে পেলামনা। খুব করে মন থেকে চেয়েছিলাম ঐন্দ্রিলা ফিরে আসুক। সব্যসাচী ও ঐন্দ্রিলার ভালোবাসার পূর্ণতা দেখার জন্য সবাই তাকিয়ে। অনেকেই দেখলাম ঐন্দ্রিলার জন্য প্রার্থনা করে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলেছে। সেখানে আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐন্দ্রিলার জন্য প্রার্থনা করে একটাও পোস্ট দিলাম না। শুধু মনে মনে ভগবানের কাছে চেয়েছিলাম ও ফিরে আসুক। এতক্ষন পুরো ব্যাপারটা ঠিক ছিল, এবার আসি মূল কথায়  - একটা জিনিস খেয়াল করলাম, ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর সাথে সাথে হাজার হাজার শব্দে আর্টিকেল পাবলিশ হয়ে যায় খবরের পোর্টালগুলিতে। যে ভিডিও এডিট করতে ঘন্টাখানেক সময় লাগে, সেই এডিট করা ভিডিও পোস্ট হয়ে যায় মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা জিনিস ভেবে দেখলাম, এরা বোধহয় কমেন্ট রেডি করে রেখেছিল। শুধু অপেক্ষা করছিল মৃত্যুর। এরাই নাকি ভালোবাসার জয় দেখতে বলে প্রার্থনায় প্রার্থনায় সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলেছিল। সত্যি, আপনাদেরকে কিছু বলার ভাষা নেই। কেউ কেউ আবার মৃত্যুর কিছুদিন আগেও RIP লিখে ফেলেছিল।  আপনাদের এই নিম্ন মানসিকতাগুলো বোধহয় সব্যসাচী বুঝেছিল, তাই সবার কাছে হাত জড়ো করে লিখেছিলেন - ওকে আর একটু থাকতে দাও, RIP লেখার অনেক টাইম পাবেন। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নতুন জীবন

ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ