ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ

ভালোবাসা কতরকমের হয় তা কিছু দিন ধরে ঘটে যাওয়া দুটো ঘটনা থেকে বোঝা যায়। একদিকে ঐন্দ্রিলা হসপিটালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঙ্গা লড়ছেন। আর তাকে ফেরানোর আসায় প্রতিটা মুহূর্তে ঐন্দ্রিলার কেবিনের সামনে চাতক পাখির মতো বসে প্রেমিক সব্যসাচী। আর অন্যদিকে শ্রদ্ধা ভালোবেসে ছিলো আফতাব আমিনকে। শ্রদ্ধার বাড়ি থেকে সম্পর্কটা না মানার জন্য, শ্রদ্ধা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। মুম্বাইতে গিয়ে শ্রদ্ধা ও আফতাব দুবছর ধরে লিভ ইন সম্পর্কে থাকে। এই সম্পর্কে থাকার সময় শ্রদ্ধা আফতাবকে বলেছিলো বিয়ে করার জন্য। শ্রদ্ধা বিয়ের কথা বলতে, শ্রদ্ধাকে আফতাব মেরে তার শরীরকে ৩৫ টুকরো করে। ওই টুকরো গুলো ফ্রীজে রেখে ১৮ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন স্থানে পুঁতেছে। সত্যি দুটো ঘটনা দুরকম। কেউ নাটকীয়তা করে জীবন কেড়ে নেয়। কেউ জীবন ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বক্ষণ প্রার্থনায় রয়। কেউ ভালোবাসা টুকরো করে। কেউ ভালোবাসার জন্য যুদ্ধ করে। ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ। যে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বাঁচাতে দিন রাত এক করেছেন ভগবানের কাছে এটুকু চাওয়া তার প্রেমিকাকে তার কাছে ফিরিয়ে দাও। তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা দেখার জন্য সবাই তাকিয়ে। আর যে প্রেমিক প্রেমিকাকে মেরে ৩৫ টুকরো করেছে, তার জন্যও আমাদের দেশের আইন ব্যবস্থার কাছে একটাই অনুরোধ যে, ওকে এমন শাস্তি দেওয়া হোক যেন, এরকম কাজ অন্য কেউ করতে গেলে যেন সে কয়েক বার ভাবে। ভালোবাসা খারাপ নয়। খারাপ আসলে মানুষ হয়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নতুন জীবন